প্রথমেই আমি যে বিষয়টি বলবো: করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে বর্তমানে বিভিন্ন গুজব রটানো হচ্ছে। এজন্য আমাদের সবাইকে গুজবের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
আরেকটি বিষয়ঃ করোনাতে আতংকিত না হয়ে সাবধানতা অবলম্বন করুন। কারণ সরকারের একার পক্ষে এই মহামারি থেকে উত্তরণ সম্ভব না। তাছাড়া আগে থেকে সরকারি ব্যবস্থাও তেমন ভালো না। তাই যা করার নিজেদের করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলছেন: আমি কোন জাতির অবস্থার পরিবর্তন ঘটান না, যতক্ষণ না তারা নিজেরা তাদের অবস্থার পরিবর্তনের চেষ্টা করে। (সুরা আল-রা’দ, ১১)
আমারতো মনে হচ্ছে... সবাইকে তাড়াতাড়ি লকডাউনে চলে যাওয়া উচিত (বাসায় অবস্থান করা)। কথাটি এজন্যই বললাম, কারণ আল্লাহ তায়ালা বলছেন: হে ইমানদারগণ তোমরা আগে থেকেই সাবধানতা ও সতর্কতা অবলম্বন করো। (সুরা নিসা, ৭১) এ ক্ষেত্রে সমাজের খেটে খাওয়া মানুষদের জীবিকার ব্যাবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সে জন্য সমাজের বিত্তশালী, বিভিন্ন সংগঠন ও সরকারকে এক সাথে কাজ করতে হবে।
প্রিয় ভাই/বোনেরা, আপনারা হয়তো জানেন গতকাল করোনায় মারা যাওয়া রুগিকে চেক আপ করেছিলেন ডা: পলাশ, সে এখন করোনায় আক্রান্ত। এই হল আমাদের বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবার মান। এরপরও কিছু কিছু নেতারা দেশকে সিংগাপুর/কানাডার সাথে তুলনা করতে একটুও লজ্জা পায়না। শুধু তাই না, বর্তমান তারা প্রচার করছে “তারা করোনার চেয়ে অনেক শক্তিশালী” একবার কি তারা ভেবে দেখেছে, এরকম দায়িত্বজ্ঞাণহীন মন্তব্যের কারণে তারা পুরো জাতির কপালে মহাদুর্গতি ডেকে আনছে কি না? আরে কে নেবে এর দায়ভার?
তাই আপনাকে বলছি: নিজে বাঁচুন, পরিবারের সবাইকে বাঁচান। কারণ আল্লাহ আগে থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করতে বলেছেন। এজন্য বলছি সাবধান না হয়ে শুধু মাত্র আল্লাহর কাছে দোয়া করে কোন লাভ হবে না। অতএব, চলুন সাবধান/সতর্কতা অবলম্বনের পাশা-পাশি দোয়া করি।
আমি কিছু পরামর্শ দিতে চাই.... যা ঘরে থাকা দিনগুলিতে আমল করতে পারেন।
পরিবারের সবাই মিতে ফরজ সালাত জামাতে আদায় করুন, বেশী বেশী তাওবা ইস্তিগফার করুন সাথে নফল সালাতও আদায় করতে পারেন, সুরা মুখস্ত করুন, প্রয়োজনে ঘরের কাজে স্ত্রী/মা/বোনকে সহায়তা করুন, সম্ভব হলে রোজা রাখতে পারেন।
বি,দ্র, (সবাইকে সচেতন করতে পোষ্টি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আসুন সময় থাকতে সব বিষয়ে সচেতন হই, যা উম্মাহর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ!)

0 Comments