রাফেজি শিয়ারাই ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে যুগে যুগে কাজ করেছে। চলুন সংক্ষেপে কয়েকটি ইতিহাস জেনে আসি:
•• তাতারীদের হাতে ইসলামী খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ পতনের মূলে এই রাফেজি শিয়াদের ভূমিকা ছিল।
•• ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারি সিরিয়ার শিয়া সরকার "বাশার আল-আসাদের" বিরুদ্ধে যখন মুসলিমরা বিক্ষোভ শুরু করে তখন 'বাশার আল-আসাদকে" ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে এই "রাফেজি শিয়ারা" বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে এবং ২০১১ সালের শেষদিকে মেতে ওঠে মুসলিম গণহত্যায়। যে গণহত্যা প্রতিদিন সিরিয়া ভূমিতে এখনও চলছে… বলে রাখা ভালো ২০১২ সালে "কাসেম সোলেইমান" সিরিয়ার শিয়া সরকার "বাশার আল-আসাদকে" সহযোগিতা করেন। (এই সেই কাসেম সোলাইমান যাকে কিছু দিন আগে হত্যা করা হয়েছে)।
•• ইরাক ইরান যুদ্ধের সময় সোলাইমান ছিল বিশেষ একটি বাহিনীতে। আমেরিকা এবং কাসেম সোলেইমান একসাথে কাজ করেছে, যা সোলাইমান নিজেই স্বীকার করেছে। আইএস দমনের আড়ালে আমেরিকা এবং রাফেজি শিয়ারা মুসলিমদের (আহলে সুন্নাহ অনুসারিদের) গণহত্যা করেছে।
•• আফগানিস্থানের মুসলিমদের গণহত্যার পেছনে এই শিয়াদের ভূমিকা রয়েছে। শুধু তাই না, তখন আমেরিকাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছিল এই "কাসেম সোলেইমান।" ২০১৪-২০১৫ সালে আইএস দমনের আড়ালে আবারও নতুন করে ইরাকের মুসলিম গণহত্যার পেছনে এই শিয়াদের হাত রয়েছে। তখন "কাসেম সোলেইমান" ইরাকি সরকার এবং শিয়া মিলিশিয়া বাহিনীর কমান্ডেও সহায়তা করেছিল।
•• নাইন ইলেভেনের টুইন টাওয়ার হামলাকে পুজি করা আমেরিকা দুই দুইটা মুসলিম দেশকে ধ্বংস করে। (ইরাক-ইরানের মুসলিম)। আর তখনই আর্কিনীদের সাথে হাত মেলায় রাফেজি শিয়া "কাসেম সোলেইমান"।
সংক্ষেপে এটাই ছিল মুসলিম গণহত্যার পেছনে শিয়াদের ভূমিকা। এছাড়া হাজারও ইতিহাস রয়েছে; যা এই মূহুত্যে উল্লেখ করা সম্ভব নয়।

0 Comments